• ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২, রবিবার ০৮ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

All India President

রাজনীতি

জল্পনার অবসান, সর্বভারতীয় সভাপতি পদে অভিষেকেই আস্থা মমতার

সব জল্পনার অবসান। দল পরিচালনায় নিজের পর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরেই আস্থা রাখলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শুক্রবার পুনরায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরিয়ে এনেছেন মমতা। তবে অভিষেকের পদ অক্ষুন্ন থাকলেও অন্য বেশ কিছু সাংগঠনিক পদে রদবদল করেছেন নেত্রী।গত ১২ ফেব্রুয়ারির পর তৃণমূলের সমস্ত সর্বভারতীয় পদ বিলোপ করা হয়েছিল। ২০ জন সদস্যের নবগঠিত জাতীয় কর্মসমিতির চেয়ারপার্সন হন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। ওই কর্ম সমিতি শুক্রবার বৈঠক করে নতুন পদাধিকারীদের নাম স্থির করেছে। সেখানেই অভিষেক কে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক পদের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়।জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পর দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের একথা জানান৷তিনি বলেন,দলের সহ-সভাপতি করা হয়েছে যশবন্ত সিনহা, সুব্রত বক্সী এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। দলের তহবিলের দেখভাল করবেন অরূপ বিশ্বাস। এছাড়াও ঠিক হয়েছে অর্থনৈতিক ও বিদেশনীতির ব্যাপারে তৃণমূলের অবস্থান কী হবে তা দেখবেন অমিত মিত্র এবং যশবন্ত সিনহা। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সাংগঠনিক কাজ দেখবেন সুস্মিতা দেব, সুবল ভৌমিক ও মুকুল সাংমা।উল্লেখ্য, সংসদের অধিবেশনের সময় রাজ্যসভার মুখপাত্র হিসাবে থাকবেন সুখেন্দু শেখর রায় ও লোকসভার মুখপাত্র হবেন ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দিল্লিতে দৈনিক সাংবাদিক সম্মেলন করতে তিনজনের কাঁধে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যারা দিল্লি থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করবেন বলে জানা গিয়েছে। সেই তিনজনের মধ্যে রয়েছেন মহুয়া মৈত্র, সুখেন্দু শেখর রায় ও কাকলি ঘোষ দোস্তিদার। দলের কার্যনির্বাহী ও জাতীয় নীতি নির্ধারন কমিটির দায়িত্ব সামলাবেন যশবন্ত সিনহা ও ড. অমিত মিত্র। উত্তর পূর্বে দলের সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মুকুল সাংমা, সুবল ভৌমিক ও সুস্মিতা দেবকে। পাশাপাশি হরিয়ানায় তৃণমূলের কনভেনার করা হয়েছে অশোক তানওয়ারকে। উত্তরপ্রদেশে তৃণমূলের কনভেনার করা হয়েছে রাজীব ত্রিপাঠিকে।গুরু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে। ২০ জনের জাতীয় কর্মসমিতি ও সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবেন ফিরহাদ হাকিম। মূলত যেটা নিয়ে জল্পনা ছিল তার অবসান ঘটিয়েছেন খোদ নেত্রী। সাংসদ অভিষেককেই ফের ফেরানো হয়েছে তাঁর পুরানো পদে। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের মাথায় রেখেই সমস্ত পদ সাজানো হয়েছে বলে শাসক দল সূত্রে খবর।গত শনিবার ২০ জনের যে জাতীয় কর্ম সমিতি গড়া হয়েছে তাতে রয়েছেন সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এছাড়াও রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অমিত মিত্র, যশবন্ত সিনহা, সুব্রত বক্সী, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কাকলি ঘোষদস্তিদার, সুখেন্দুশেখর রায়, অনুব্রত মণ্ডল, গৌতম দেব, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বুলুচিক বরাইক, রাজেশ ত্রিপাঠী, অসীমা পাত্র ও মলয় ঘটক।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
দেশ

করোনায় আক্রান্ত জেপি নাড্ডা

এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। রবিবার এক টুইট বার্তায় নিজেই এই কথা জানিয়েছেন নাড্ডা। রবিবার এক টুইট বার্তায় বিজেপি সভাপতি জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণের কিছু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় আমি করোনা পরীক্ষা করাই। রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমার শরীর ঠিক আছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে আমি আইসোলেশনে আছি। যারা আমার সংস্পর্শে এসেছেন গত কয়েকদিনে, তাঁদের অনুরোধ নিজেদের আইসোলেট করুন এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। আরও পড়ুন ঃ কৃষি আইন চাষিদের উন্নয়ন করবে , সওয়াল মোদির এর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গড়করি, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান তাঁদের মধ্যে অন্যতম। দিন কয়েক আগেই রাজ্য সফরে এসে, একাধিক দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন জেপি নাড্ডা। করেছিলেন সাংবাদিক সম্মেলনও। রাজ্যে দলের শীর্ষনেতাদের সঙ্গে করেছিলেন বৈঠকেও। তাঁর করোনা পজিটিভ হওয়ার এই খবরে স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে বঙ্গ বিজেপিতেও।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

জেপি নাড্ডার গাড়িতে হামলা, মুখ্যসচিব - ডিজিকে তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গতকালই রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শুক্রবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে নিজের রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছেন। সুত্রের খবর সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নাড্ডা-সহ অন্য বিজেপি নেতাদের উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি রাজ্যের পুলিশ। রাজ্যপালের এই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডিজিপি বীরেন্দ্রকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আগামী ১৪ ডিসেম্বর তাঁদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে হাজিরা দেওয়ার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সুত্রের খবর। আরও পড়ুন ঃ চলতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মনে করছে, রাজ্যের নিরাপত্তার দায় মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার জন্য কোনও ভিআইপির নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা যাবে না। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বীরেন্দ্রর কাছে আগামী ১৪ ডিসেম্বর পুরো ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হবে। রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হলে তাঁদের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হতে পারে। তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও সুত্রের খবর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
কলকাতা

অনুপম জন্মদিনে সকালে খেলেন চকোলেট, দুপুরে জুটলো পাথর

বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরার জন্মদিন কাটলো স্বল্প পরিসরে কিন্তু বেশ হুল্লোড়ে। আনন্দের তাল কাটলো ডায়মন্ড হারবারের পথে। বৃহস্পতিবার সকালে জন্মদিনেে চকোলেট খাওয়ালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তারপর ডায়মন্ড হারবার যাওয়ার পথে পাথর খেলেন প্রাক্তন সাংসদ। অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেস নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালায়। তখন আঘাত পান অনুপম হাজরাও। অনুপম দলের এরাজ্যে তফসিলি জাতি, উপজাতি ও পিছিয়ে পড়াদের কর্মসূচি রূপায়ণের দায়িত্বে রয়েছেন। পাশের রাজ্য বিহারে সহকারি পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি তাঁকে ২০২১ বিধানসভা ভোটে দলের ইস্তেহার কমিটির ইনচার্জ করা হয়েছে। এদিন তিনি ৩৮ বছরে পা দিলেন। কর্মব্যস্ততার মধ্যে থেকে কিছুটা সময় বের করে পালিত হল তার জন্মদিন। দলের হেস্টিংসের দফতরে তার জন্মদিন পালিত হয়। এখন রাজ্যে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি নিজেই নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালিয়েছেঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায় তিনিও দলের জাতীয় সম্পাদকের জন্মদিনে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা অনুপম হাজরাকে চকোলেট খাইয়ে দেন। এদিন তাঁর জন্মদিনে বিজেপি নেতাদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত ছিলেন অরবিন্দ মেনন, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিবপ্রকাশ প্রমুখ।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

স্রেফ মা দুর্গার কৃপায় সভায় পৌঁছতে পেরেছি , নাড্ডা

এ রাজ্যে জঙ্গলরাজ চলছে, আইনের শাসন বলে কিছু নেই। শুধু কাটমানি আর কাটমানি। বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে এমনই কথা বললেন বিজেপির সর্ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, মোদিজি অর্থ দিচ্ছেন আর কাটমানিতেই সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। ডায়মন্ড হারবারে কার্যকর্তাদের বৈঠকে আসার পথে আমার কনভয় হামলা হয়েছে। মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র উপরও আক্রমণ হয়েছে। দেখুন, তাঁরা জখম। এই আক্রমণের তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। পুলিশ প্রশাসনেরও রাজনীতিকরণ হয়ে গিয়েছে, বোঝা যাচ্ছে। এরপর সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের নাম নিয়ে নাড্ডার হুঙ্কার, মমতাজির দিন শেষ। বর্বর সরকার উৎখাত হবেই। এখানে পদ্ম ফুটবে। মমতাজি, আপনি বিশ্রাম নিন। এবার বিজেপিকে বাংলার উন্নয়নে কাজ করতে দিন। তিনি আরও বলেন, আমরা আসার সময় যে দৃশ্য দেখলাম তাতে বোঝা যাচ্ছে, মমতাজির আমলে বাংলায় অরাজকতা ও অসহিষ্ণুতার শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। আমার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী না থাকলে কী অবস্থা হত কে জানে। এখানকার বিজেপি কর্মীদের কী অবস্থা তাও আন্দাজ করতে পারছি। মা দুর্গার কৃপায় ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছেছি। তৃণমূলের ক্যাডাররা আটকানোর কোনও চেষ্টা বাদ দেয়নি। কিন্তু এই গুন্ডারাজের পতন অনিবার্য। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে এরপরই তিনি সরাসরি মমতাকে তোপ দেগে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী ভাষায় কথা বলছেন! তুইতোকারি করে বিরোধীদের আক্রমণ করছেন, এটা কি বাংলার সংস্কৃতি! মমতার পরই নাম না করে ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন নাড্ডা। এই ডায়মন্ডহারবারের সাংসদকে পার্লামেন্টে দেখাই যায় না, বলে কটাক্ষ করেন তিনি। এছাড়াও সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, কৃষকদের পাওনা ৬ হাজার টাকা মমতাজি আটকে দিয়েছেন। বলেছেন, কৃষকদের নয় আমাকে দিয়ে দাও, কৃষকদের নয় আমাকে দাও। এদিকে, ডায়মন্ড হারবারের পথে কনভয়ে হামলার কথা নিজেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জানিয়েছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আর সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে রাজ্যের কাছে এ বিষয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

নাড্ডার কনভয়ে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ডায়মন্ড হারবার যাওয়ার পথেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হল। ঘটনাটি ঘটেছে সরিষা এলাকায়। এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কনভয়ে থাকা গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ। অন্যদিকে শিরাকোল-ডায়মন্ড হারবার রোডের উপরে বিজেপির সভায় আসা তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের সামনেই তৃণমূল কর্মীরা বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালায় বলে অভিযোগ। ওই গাড়িগুলির মধ্যে বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ, কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও অনুপম হাজরা ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা বলেন, পরিকল্পনা করে বাস জ্যাম করে কনভয় আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। জঙ্গল্ রাজত্ব চলছে। ঘটনার প্রতিবাদে আজ বিকেল ৪টে থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত রাজ্য়জুড়ে অবরোধ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন রাজ্যের যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। হামলায় কয়েকজনের আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ। চারদিকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীকে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পিকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বৈশালী ডালমিয়া বিজেপি রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আইনকানুন নেই। এইভাবে সরকার চলছে। পুলিশের সামনেই গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আমাদের একাধিক নেতার চোট লেগেছে। ২০২১ সালে তৃণমূল সরকার ভেঙে দেব। রাজ্য পুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়, নিরাপদেই সভায় যোগ দেন জে পি নাড্ডা। তাঁর কনভয়ে কিছুই হয়নি। কনভয়ের পিছনে কয়েকটি গাড়ি লক্ষ্য করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ ইট-পাথর ছোড়েন। সকলেই সুরক্ষিত। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রয়েছে। আদতে ঠিক কী হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

মমতার গড়ে জনসংযোগ নাড্ডার, পুজো দিলেন কালীঘাটে

বাংলায় দুদিনের সফরে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আজ বিমানবন্দরে অবতরণের পর হেস্টিংসে আসলে কালো পতাকা দেখানো হয় তাঁকে। তা উপেক্ষা করে অগ্রবাল ভবনে স্থিত দলীয় কার্যালয়ের মধ্য়ে গঠিত নতুন নির্বাচনী দফতরের উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর যান মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধায়ের গড় ভবানীপুরে। সেখানে গৃহ সম্পর্ক অভিযানে যোগদান করেন নাড্ডা। গিরিশ মুখার্জি রোডের বস্তিতে কয়েকটি বাড়িতে গিয়ে আর নয় অন্যায় এর লিফলেট বিলি করেন সর্বভারতীয় সভাপতি। তবে তাঁর ৪৫টি বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে সেই কর্মসূচি বাতিল করা হয়। একেবারে কাছ থেকে জেপি নাড্ডাকে দেখে উচ্ছ্বসিত বস্তিবাসীরা। নাড্ডা তাদের সমস্যার কথা শোনেন এমনটাও জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মমতা, করলেন দ্রুত আরোগ্য কামনা এরপর সেখান থেকে বেড়িয়ে কালীঘাটে পুজো দিতে যান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। মায়ের মন্দিরে পুজো দিয়ে আইসিসিআর-এ দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন নাড্ডা। পাশাপাশি আগামীকালও ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যপাধ্যায়ের গড় ডায়মন্ড হারবারে যাবেন তিনি। সেখানে স্থানীয় মৎসজীবীদের সঙ্গে কথা বলবেন জেপি নাড্ডা। তাঁদেরই একজনের বাড়িতে খেতে পারেন দুপুরের খাবারও এমনটাই বিজেপি সূত্রে খবর।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূলের পরিবারটাই দল, আর বিজেপির দলই পরিবারঃ নাড্ডা

রাজ্যে ১৩০ জন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। আমি নিজে ১০০ জনের তর্পণ করেছি। এটা কোন বাংলা? বুধবার হেস্টিংসে অগ্রবাল ভবনে স্থিত দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে গঠিত নতুন নির্বাচনী দফতরের উদ্বোধন করেন জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, মমতার আর এক নাম অসহিষ্ণুতা। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের আমলে অসহিষ্ণুতা বেড়েই চলেছে। বুধবার কলকাতা থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় বিজেপি ৯টি নির্বাচনী কার্যালয়েরও উদ্বোধন করেন নাড্ডা। এ দিন তিনি জানান, আগামী দিনে মোট ৩৮টি কার্যালয় তৈরি হবে। ই-লাইব্রেরি থাকবে প্রতি কার্যালয়ে। কনফারেন্স হল থাকবে। বড় সভা করার জায়গা থাকবে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, পার্টি অফিস আর কার্যালয়ে অনেক তফাৎ। বিজেপি কার্যলয়ে বিশ্বাস করে। কার্যালয় আসলে সংস্কারের কেন্দ্র। আরও পড়ুন ঃ শ্বাসকষ্টের সমস্যার জের, হাসপাতালে ভরতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তিনি বলেন, তৃণমূলের কাছে পরিবারটাই দল আর বিজেপির কাছে দলই পরিবার। তাই নেতার বাড়ি থেকে নয়, কার্যালয় থেকে দল চালায় বিজেপি। এছাড়াও তাঁর বক্তব্য, লকডাউনে বিজেপি কর্মীরা ভাল কাজ করেছেন। রেশন বন্টন করেছেন বিজেপি কর্মীরা। আর সেই কর্মীদের বাধা দিয়েছে তৃণমূল। সবশেষে নাড্ডা আশ্বাস দেন, বাংলার সংস্কৃতিকে রক্ষা করার। পাশাপাশি এদিনও নাড্ডা দাবি করেছেন বাংলায় ২১-এর বিধানসভা ভোটে ২০০-র বেশি আসন নিয়ে জিতবে বিজেপি। সোনার বাংলাকে দুর্নীতি, ভাই-ভাতিজার রাজনীতি গ্রাস করেছে বলেও এদিন দাবি করেন তিনি। সরব হন তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতির বিপক্ষেও। রাজ্য সরকারকে কড়া সমালোচনা করে নাড্ডা বলেন, বাংলায় ১৩০ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। যখনতখন বিজেপি নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। যাঁরা সরকারের সমালোচনা করছেন, তাঁদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। অন্যদিকে, এদিন বেলা ১টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা হেস্টিংসে চলে আসেন জেপি নাড্ডা। সেখানে পৌঁছানো মাত্রই জেপি নাড্ডাকে কালো পতাকা দেখানো হয়। নতুন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় বেশকিছু মানুষ।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

জেপি নাড্ডার বদলে নভেম্বরে রাজ্যে অমিত শাহ

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা রাজ্যে আসছেন না। তাঁর বদলে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, ৫ নভেম্বর মেদিনীপুর এবং রাঢ়বঙ্গের বৈঠক এবং ৬ ডিসেম্বর কলকাতা এবং নবদ্বীপ জোনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জেপি নাড্ডা আসছেন না, সেকথাও জানিয়ে দেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের সংগঠন এই এলাকাগুলিতে কি অবস্থায় রয়েছে , সে বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে বলে দলীয় সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পুলিশ হেপাজতে কিশোরের মৃত্যুতে উত্তপ্ত মল্লারপুর , শনিবার ১২ ঘণ্টার বনধ বিজেপির প্রসঙ্গত , নভেম্বর মাসে রাজ্যে আসবেন জেপি নাড্ডা , দলের তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছিল। কিন্তু বিশেষ অনিবার্য কারণ বশত তিনি এই সময় রাজ্যে আসতে পারছেন না বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিধানসভা ভোটকে মাথায় রেখে রাজ্যে অমিত শাহকে এনে সভা করতে চেয়ে দিল্লির কাছে দরবার করেছিল রাজ্য বিজেপি। দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু নিজেই সেকথা জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজনীতি

নভেম্বরে ফের রাজ্যে জেপি নাড্ডা

ফের রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। দু দিনের সফরে তিনি রাজ্যে আসছেন । বুধবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন জে পি নাড্ডা। সেদিনই বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, আসানসোল, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া, ৫ সাংগঠনিক জেলার সঙ্গে বৈঠক করবেন নাড্ডা। ৭ তারিখ জঙ্গলমহল এলাকার সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বৈঠকে ২ মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি। আরও পড়ুন ঃ সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে অমিতাভ চক্রবর্তীকে সাংগঠনিক পদে নিয়ে এল রাজ্য বিজেপি ৬ নভেম্বর বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে ভার্চুয়াল বার্তাও দেবেন নাড্ডা। প্রসঙ্গত, গত ১৯ অক্টোবর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা একদিনের সফরে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন। সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তাই কয়েকদিন আগে উত্তরবঙ্গ সফরের পর এবার দক্ষিণবঙ্গে দলের সাংগঠনিক অবস্থা খতিয়ে দেখতে আসছেন নাড্ডা।

অক্টোবর ২৯, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

সাংবাদিক খুন মামলায় মুক্তি গুরমিত রাম রহিমের! তবু জেলেই থাকতে হবে কেন?

সাংবাদিক হত্যা মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং। ২০০২ সালের এক সাংবাদিক খুনের ঘটনায় সাত বছর আগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে সিবিআই আদালত এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে এবার সেই মামলায় তাঁকে অব্যাহতি দিল উচ্চ আদালত। যদিও এই রায়ের পরও জেল থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি। কারণ দুটি ধর্ষণ মামলায় ইতিমধ্যেই কুড়ি বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন এই স্বঘোষিত ধর্মগুরু।রাম রহিমের আইনজীবী জিতেন্দর খুরানা জানান, উচ্চ আদালত সাংবাদিক রামচন্দর ছত্রপতি হত্যা মামলায় তাঁর মক্কেলকে অব্যাহতি দিয়েছে। ২০১৯ সালে সিবিআই আদালত এই মামলায় রাম রহিম, নির্মল সিং এবং কৃষ্ণান লালকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছিল।রামচন্দর ছত্রপতি পুরা সাচ নামে একটি সংবাদপত্র চালাতেন। ২০০২ সালের অক্টোবরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর কিছুদিন আগে তাঁর পত্রিকায় একটি বেনামী চিঠি প্রকাশিত হয়েছিল। সেই চিঠিতে ডেরা সচ্চা সৌদার সদর দপ্তরে নারী অনুসারীদের উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়েছিল।তবে এই মামলায় অব্যাহতি পেলেও জেল থেকে এখনই বেরোতে পারছেন না রাম রহিম। ২০১৭ সালে দুই নারী অনুসারীকে ধর্ষণের মামলায় তাঁকে কুড়ি বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। সেই সাজা ভোগ করার কারণেই বর্তমানে রোহতকের সুনারিয়া জেলে রয়েছেন ৫৭ বছরের এই ধর্মগুরু।যদিও সরকারি নথিতে তিনি জেলবন্দি থাকলেও বিভিন্ন সময়ে প্যারোলে মুক্তি পাওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত জানুয়ারিতেই তিনি চল্লিশ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি পান। হরিয়ানার বিজেপি সরকার তাঁর এই ছুটি মঞ্জুর করেছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে বিশ দিনের প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এরপর এপ্রিল মাসে আবার একুশ দিনের জন্য প্যারোল দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্ট মাসে আবার চল্লিশ দিনের জন্য মুক্তি পান তিনি।এখানেই শেষ নয়। হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবের মতো রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও একাধিকবার তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। হিসাব বলছে, ২০২০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে মোট তিনশো ছাব্বিশ দিন প্যারোলে জেলের বাইরে ছিলেন রাম রহিম।

মার্চ ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় এসে বিস্ফোরক মন্তব্য রাষ্ট্রপতির! ‘মমতা হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন’

ভোটের আগে বাংলায় রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সভাস্থল নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত অন্য জায়গায় সভা করতে হয়েছে।শনিবার শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। তবে তিনি মঞ্চে ওঠার পর দেখা যায় দর্শকাসনে অনেক চেয়ারই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসতেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত চেয়ার ফাঁকা কেন। তাঁর সন্দেহ, কেউ হয়তো বাধা দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রথমে ঠিক হয়েছিল এই সম্মেলন হবে বিধাননগরে। কিন্তু পরে একাধিকবার সভাস্থল বদল করতে হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে সভা করার অনুমতি দেয় প্রশাসন। তবে আয়োজকদের অভিযোগ, অনেক আমন্ত্রিত অতিথি নিরাপত্তা পাশ না পাওয়ায় অনুষ্ঠানে ঢুকতে পারেননি। পুলিশ তাদের আটকে দেয় বলে অভিযোগ।সভা শেষে রাষ্ট্রপতি সেখানেই থেমে থাকেননি। তিনি শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে যান, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বলেন, তিনি আসলে এখানেই সভা করতে চেয়েছিলেন। জায়গাও যথেষ্ট ছিল। তবে কেন রাজ্য সরকার অনুমতি দিল না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি তাঁর ছোট বোনের মতো। তবে হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর রাগ করেছেন, সেই কারণেই সভা করতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। এ নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি কোনও রাজ্যে গেলে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ তাঁকে স্বাগত জানান। সেটাই নিয়ম এবং প্রোটোকল।শেষ পর্যন্ত বিধাননগরে পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় একটি শালগাছ লাগিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। জেলা শাসক এবং পুলিশ কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন এসেছিলেন, তখনও তিনি তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সভাস্থল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মার্চ ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কাইফকে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ আমিরের, টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে নতুন করে বিতর্ক ছড়ালেন পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার মহম্মদ আমির। এর আগে দুবার তিনি ভারতের বিশ্বকাপ যাত্রা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। কিন্তু দুবারই তাঁর কথা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এবার দলকে নয়, সরাসরি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফকে আক্রমণ করলেন তিনি। কাইফকে কটাক্ষ করতে গিয়ে টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও।রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলবে ভারতীয় দল। তার আগেই আমিরের মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ভারত সেমিফাইনালে উঠতে পারবে না। পরে আবার বলেন, ভারত ফাইনালেও যেতে পারবে না। কিন্তু সেই দুই ভবিষ্যদ্বাণীই ভুল প্রমাণিত হয়। এরপর অনেকের কাছেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে।এই প্রসঙ্গে কাইফ বলেছিলেন, আমিরকে এত গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, পাকিস্তানের ক্রিকেটও এখন অনেক পিছিয়ে রয়েছে। কাইফের এই মন্তব্যে বেজায় চটে যান আমির এবং সরাসরি তাঁকে আক্রমণ করেন।আমির বলেন, তিনি কাইফের ক্রিকেট কেরিয়ার সম্পর্কে খুব বেশি জানতেন না। পরে খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, কাইফ নাকি আইপিএলে মাত্র উনত্রিশটি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাঁর স্ট্রাইক রেটও খুব বেশি নয়। তাঁর দাবি, তিনি নিজে তিনশোরও বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং পারফরম্যান্সের জোরেই ক্রিকেট খেলেছেন। কাইফকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, শুধু ফিল্ডিংয়ের জন্যই তিনি ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন। পাশাপাশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে বলেন, কাইফের উচিত তাঁকে ধন্যবাদ জানানো।তবে কাইফ যে ভারতীয় দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার ছিলেন, তা ক্রিকেট মহলে সকলেই মানেন। অনেক ভারতীয় ক্রিকেটারই স্বীকার করেছেন যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তাঁরা জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন।এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোৎ সিং সিধুও। তিনি আমিরকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের মানুষদের কথা বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, শুধু ভবিষ্যদ্বাণী করে ম্যাচ জেতা যায় না। মাঠে নেমে লড়াই করেই ম্যাচ জিততে হয়। সিধুর কথায়, যারা বেশি কথা বলে তারা অনেক সময়ই বাস্তবে কিছু দেখাতে পারে না।

মার্চ ০৭, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মাঝেই বড় সিদ্ধান্ত ইরানের, প্রতিবেশীদের কাছে ক্ষমা চাইল তেহরান

মধ্যপ্রাচ্যে টানা উত্তেজনার মাঝেই আচমকা সুর নরম করল ইরান। শনিবার দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়ে দিলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির উপর আর নতুন করে হামলা চালানো হবে না। তাঁর এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এক ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেন, দেশের অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রতিবেশী দেশগুলির উপর আর নতুন হামলা চালানো হবে না। তিনি স্পষ্ট করে জানান, যদি ইরানের উপর সরাসরি আক্রমণ না হয়, তাহলে তেহরানও আর কোনও হামলা করবে না।এর পাশাপাশি সাম্প্রতিক হামলার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমাও চান তিনি। তাঁর বক্তব্য, অন্য কোনও দেশকে আক্রমণ করার ইরানের কোনও ইচ্ছা নেই। তবে একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান কখনও আত্মসমর্পণ করবে না।উল্লেখ্য, গত আটাশে ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই পালটা আক্রমণ শুরু করে ইরান। প্রথমে মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছিল। পরে সেই হামলার মাত্রা আরও বাড়তে থাকে।এরপর ইরাকের পাশাপাশি কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী, বাহরিন, ওমান এবং জর্ডনের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবও পালটা হামলার হুঁশিয়ারি দেয়।বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, টানা হামলার কারণে ইরানের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলির সম্পর্ক দ্রুত খারাপ হতে শুরু করেছিল। অনেক বন্ধু রাষ্ট্রই ক্রমে বিরোধী অবস্থানে চলে যাচ্ছিল। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগে কূটনৈতিকভাবে চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আবার কি বঙ্গভঙ্গের চেষ্টা? বিজেপিকে নিশানা করে বড় অভিযোগ মমতার

কলকাতায় ধরনা মঞ্চ থেকে আবারও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস যতদিন রয়েছে, ততদিন বাংলার এক ইঞ্চি জমিও কেউ ভাগ করতে পারবে না বলেই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মমতা বলেন, তিনি সম্প্রতি একটি বার্তা দেখেছেন যেখানে বলা হয়েছে বাংলা এবং বিহারকে ভাগ করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত চলছে।ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি কাল একটি বার্তা দেখলাম। সেখানে বলা হচ্ছে বাংলা এবং বিহারকে ভাগ করে নাকি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হবে। ওদের আসল উদ্দেশ্য বাংলাকে ভাগ করা। আবারও বঙ্গভঙ্গ করার চেষ্টা চলছে।এর পাশাপাশি বিহারের প্রসঙ্গও টানেন তিনি। মমতার দাবি, আগে বিহারকে ভাগ করে ঝাড়খণ্ড আলাদা করা হয়েছিল। এখন আবার বিহারকেও নতুন করে ভাগ করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বাংলার মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলাকে ভাগ করার অভিযোগ তুলে তিনি কার্যত রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র করে দিলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন! দলে থাকবেন তো অভিষেক? পাশে দাঁড়ালেন কপিল দেব ও রবি শাস্ত্রী

চলতি কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে তিনি ছিলেন অন্যতম ভরসার নাম। তাঁর ছক্কার ঝড় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। কিন্তু বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সেই আগ্রাসী ব্যাটিং খুব একটা দেখা যায়নি। তাই ফাইনালের আগে প্রশ্ন উঠছে, প্রথম একাদশে কি থাকবেন অভিষেক?তবে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব মনে করছেন, দলের উচিত অভিষেকের উপর ভরসা রাখা। তাঁর কথায়, দলের পরিচালকদের খেলোয়াড়ের উপর আস্থা রাখা দরকার। একই সঙ্গে অভিষেকেরও নিজের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত। তিনি বলেন, এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে, সেটাই ফাইনাল। তাই শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।এই বিশ্বকাপে অভিষেক এখনও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাননি। ফর্ম, ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস সব দিক থেকেই তিনি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকেই। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একটি অর্ধশতরান করলেও সেই ইনিংস খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিল না বলে মত অনেকের। সেমিফাইনালেও তিনি মাত্র নয় রান করে আউট হন।ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীও মনে করছেন, দলে কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, অভিষেককে নিজের প্রতিভার উপর ভরসা রাখতে হবে। তিনি বলেন, নিজের দুর্বলতা নিয়ে বেশি চিন্তা না করে শক্তির জায়গাগুলোর উপর আস্থা রাখা দরকার। মাঠে নেমে স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই হয়তো এই ম্যাচেই তাঁর সেরা ইনিংস দেখা যেতে পারে। তবে শট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শাস্ত্রী।ভারতীয় দলের পরিচালকরাও এখনও অভিষেকের উপর আস্থা রাখছেন বলে জানা গিয়েছে। রান না পেলেও তাঁকে সমর্থন করছেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ফাইনালের দলেও অভিষেক থাকতে পারেন বলেই ইঙ্গিত মিলছে। তাঁর পাশে থাকবেন ভাল ফর্মে থাকা সঞ্জু স্যামসন। দলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের দিকেই নজর রাখা হচ্ছে এবং অভিষেকের উপর দলের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

বড় মোড় লোকসভায়! স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থায় কি বিরোধীদের পাশে তৃণমূল?

লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার জন্য আগেই নোটিস দিয়েছিল বিরোধী শিবির। এবার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হতেই সেই বিষয়টিকে সামনে রেখেই কৌশল সাজাতে শুরু করেছে বিরোধী জোট। রাজনৈতিক মহলের সূত্রের খবর, এই পর্বে এত দিন একলা চলার নীতি নেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসও বিরোধী শিবিরের পাশে দাঁড়াতে পারে।সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায়। এই অধিবেশনেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে সরব হতে চলেছে বিরোধীরা। যদিও কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু আগেই জানিয়েছিলেন, অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার পর অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।সূত্রের খবর, সেই ভোটাভুটিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদেরা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষেই ভোট দিতে পারেন। যদিও অধিবেশনের প্রথম পর্যায়ে এই অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস দেওয়া হয়েছিল বিরোধীদের পক্ষ থেকে। স্পিকার ওম বিড়লা শাসক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন এই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিরোধী জোট। সেই নোটিসে মোট একশো কুড়ি জন বিরোধী সাংসদের স্বাক্ষর ছিল। পরে সেই নোটিস খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন স্পিকার নিজেই।তবে সেই সময় এই প্রস্তাব থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিসে স্বাক্ষর করেননি তৃণমূলের সাংসদেরা। সে সময় দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাদের স্বাক্ষর করতে কোনও আপত্তি ছিল না। কিন্তু তার আগে কংগ্রেসকে একটি চিঠি পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল। সেই চিঠির ভিত্তিতে স্পিকার যদি কোনও পদক্ষেপ না নেন, তার পরেই অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা বলেছিল তারা।কিন্তু এবার পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। যদিও প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেনি তৃণমূল, তবু অনাস্থা ভোটাভুটির সময় বিরোধী জোটের পক্ষেই দাঁড়াতে পারে রাজ্যের শাসকদল। ফলে লোকসভায় এই বিষয়টি ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বেকারদের জন্য বড় চমক! ঘোষণার আগেই ঢুকছে ভাতা, আজ থেকেই টাকা পাচ্ছেন যুবক-যুবতীরা

বাজেট ঘোষণার সময়েই জানানো হয়েছিল, রাজ্যের মাধ্যমিক পাশ করা অথচ এখনও চাকরি না পাওয়া যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন ভাতা চালু করবে রাজ্য সরকার। যুবসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে এই ভাতা।প্রথমে জানা গিয়েছিল, চলতি বছরের অগস্ট মাস থেকে এই টাকা পাওয়া যাবে। পরে সেই সময়সীমা অনেকটাই এগিয়ে এনে ঘোষণা করা হয়, ১ এপ্রিল থেকেই ভাতা দেওয়া শুরু হবে। তবে শনিবার আরও বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু হচ্ছে এই ভাতা। অর্থাৎ ১ এপ্রিল নয়, শনিবার ৭ মার্চ থেকেই যুবসাথীর টাকা পাওয়া শুরু করবেন বেকার যুবক-যুবতীরা।কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১ এপ্রিল থেকে যেটা ঢোকার কথা ছিল সেটা আজ থেকেই ঢুকবে। যুবসাথীর টাকা আজ থেকেই পাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ফেব্রুয়ারি থেকেই দেওয়া শুরু হয়েছে। আমরা যা বলি, তা করি।যুবসাথী প্রকল্পে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই গোটা রাজ্যে বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে। অফলাইন এবং অনলাইন দুই ভাবেই লাখ লাখ আবেদন জমা পড়েছে।অন্যদিকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও সম্প্রতি ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের মহিলারা এখন আগের থেকে আরও পাঁচশো টাকা বেশি পাচ্ছেন। তবে এই বিষয়টি নিয়েও রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর চলছে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে, ভোটের আগে ভাতা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। আবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হবে।এই পরিস্থিতিতে বেকার ভাতা আগেভাগে চালু হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal